Logo
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি মাদারীপুর জেলা শাখার নির্বাচন- ২০২৫ অনুষ্ঠিত উপকূলীয় অঞ্চলে নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে সভা অনুষ্ঠিত বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে নিহত শহীদ হাসিবের পরিবারের অনুদান না পাওয়ায় সংবাদ সম্মেলন আজ খোলা থাকবে সরকারি – বেসরকারি সব অফিস মাদারীপুরে বার্তা সময় ২৪.কম এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পালাগানের আসর থেকে বিলাসী জীবনে মমতাজ ডঃ ফিলিপ কোটলার এর নতুন বইয়ে “বসুন্ধরা টিস্যু কেইস স্টাডি” হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষিত রূপগঞ্জে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গাজীর মুঠোয় জিম্মি, মুক্তি চায় অভিভাবকগণ। মাদারীপুরে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত এবং উক্ত দিবসে শ্রেষ্ঠ আইনজীবী নির্বাচিত আপন আলোয় আলোকিত একজন আইনজীবী এ্যাড. গোলাম কিবরিয়া
নোটিশ ::
সারা দেশে বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা, বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের বাইরে সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে। অতিসত্বর যোগাযোগ করুন ০১৬২৬২২৭২১৬, সিভি মেইল করুন bartasomoy24@gmail.com.

মাদারীপুর ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেকের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়ে নানা গুঞ্জন।

বেলাল রিজভী / ৪৬৬ বার
আপডেট সময় :: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০

বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের মধ্যে মাদারীপুর জেলার একটি আলাদা ঐতিহ্য ও সুনাম রয়েছে। ফরায়জী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরিয়তউল্লাহর জন্ম ভূমি মাদারীপুরে। এছাড়া জেলাটি খেজুরের গুড়ের জন্য ও বিখ্যাত। এবং এ জেলায় রয়েছে ঐতিহাসিক ব্রিটিশ শাসন আমলের খনন করা ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেক। যাহা বর্তমানে মাদারীপুর শহরকে সৌন্দর্যময় করে তুলেছে। যেখানে প্রতিদিন সন্ধ্যার  পরে শিশু থেকে বৃদ্ধ বয়সের হাজার হাজার মানুষ  ঘুরতে আসে শকুনি লেক পাড়ে। এক কথায় শিশুদের বিনোদনের কেন্দ্র স্হল ও বলা চলে। সাম্প্রতিক সময় শোনা যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী শকুনি লেকের নাম পরিবর্তনের  প্রস্তাব করা হয়েছে। সুফি সাধক শাহমাদারের নামানুসারে এ জেলার নামকরণ করাহয় মাদারীপুর।  বহুবছর পূর্বে মাদারীপুর শহরের অবস্থান ছিলো আড়িয়াল খাঁ নদের তীরে বর্তমানে যা নতুন মাদারীপুর নামে পরিচিত ওইখানে। নদী ভাঙনের কারনে ও শহর সম্প্রসারণের জন্য ১৯৪৩ সালে মাটি কাটা হয়। এতে একটি দীঘি সৃষ্টি হয়। সেটাই শকুনি দিঘি বা শকুনি লেক। ঐতিহাসিকদের মতে, ১৯৪৩ সালে লেকটি খনন করে এর চারপাশে নতুন শহর স্থাপন করা হয়। ঐ সময় এ অঞ্চলে মাটিকাটা শ্রমিকের অভাব থাকায় এই লেক খনন করার জন্য তৎকালীন ব্রিটিশ প্রশাসন ভারতের বিহার ও ঔরিষ্যা অঞ্চল থেকে ২ হাজার শ্রমিক ভাড়া করে আনে। এসময় কলেরা রোগে অনেক শ্রমিক আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। দিঘির পাড়ে সৎকারে অভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে মরদেহ। শকুন সেই মরদেহ খেয়ে উল্লাস করে। সেই থেকেই দিঘির নাম ও এলাকার নাম হয় শকুনি দিঘি বা লেক। এলাকার নামও হয় শকুনি। এমনই ইতিহাস প্রচলিত আছে স্থানীয়দের মাঝে। মাদারীপুর জেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই শকুনি দিঘির আয়তন ১,০১,১৭২ বর্গমিটার, দৈর্ঘ্য ৪৮৬ মিটার ও প্রস্থ ১৯৮ মিটার। অনেকেই ইতিহাস বিকৃতি করে এটাকে মাদারীপুর লেক বলে থাকে। সম্প্রতি এই লেকের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। শোনা যাচ্ছে একজন আমলা নাকি নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছেন। আমরা মাদারীপুরের আদি বাসিন্দারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। নাম পরিবর্তন কোন সুফল বয়ে আনেনা। যদি কারো নামে কিছু করতেই হয় তাহলে নতুন স্থানে নতুন নামে নতুন উদ্যোগে কিছু করুন। দয়া করে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলবেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর

Theme Created By insafit.Com.bd