মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার আলী নগর ইউনিয়নের উত্তর কানাইপুর গ্রামের মোঃ খলিল হাওলাদারের ছেলে মোঃলিটন মিয়া (২৩) বৈদ্যুতিক খুঁটিবহন কারী ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। আর এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে নিহতের বাড়ী শোকের ছায়া নেমে আসে এমনকি পুরো এলাকায় শোকের মাতাম ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিদিনেই এপাড়ার ওপাড়ার লোকজন নিহতের শোকসপ্তক পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আসেন। একমাত্র উপার্জন কারী ছেলে লিটন মিয়া কে হারিয়ে পিতা মোঃ খলিল হাওলাদার ও মাতা নাছিমা খাতুন পাগল প্রায়।পারিবারিক সূত্র জানায় দিনমজুর ফার্নিচার শ্রমিক নিহত লিটন মিয়ার দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার স্ত্রী মরিয়ম বাকরুদ্ধ কন্ঠে বলেন আমি এ অবুঝ শিশু কে নিয়ে কোথায় যাব,কার কাছে যাব,কি হবে আমার শিশুর ভবিষ্যৎ? কে দিবে আমার অসুস্থ শশুড়ের চিকিৎসা খরচ,কেমনে চলবে আমাদের সংসার।এলাকাবাসীর দাবিএঘাতক ড্রাইভারের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও নিহত পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরন দিতে হবে।তা না হলে রাস্তায় মানববন্ধন করবেএলাকাবাসী।
উল্লেখ্য যে,প্রতিদিনের ন্যায় গত ১৩ ই জুলাই ২০২০ ইং সকালে লিটন তার গ্রামের বাড়ী আলীনগর থেকে বাই সাইকেল চালিয়ে মাদারীপুর শহরের বাদামতলা এলাকায় একটি ফার্নিচারের দোকানে তার কর্ম স্হলে আসছিলেন। কুলপুদ্বি আনসার ক্যাম্পের সামনে এলে বিপরিত দিক থেকে আসা বৈদ্যুতিক খুঁটি বহন কারী ট্রাক্টর অতিক্রমের সময় পাশের একটি ইজিবাইক কে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এ সময় ঐ ট্রাক্টরের পিছনের চাকার নিচে চাপা পড়ে লিটন। স্হানীয় পথচারীরা তাকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিলে কত্যর্বরত চিকিৎসক লিটন কে মৃত ঘোষনা করলে উপস্থিত জনতা ক্ষেপে উঠেন এবং পুরো হাসপাতাল এলাকায় জুড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনা স্হলের উপস্হিত একজন অটো চালক (বার্তাসময়.২৪কম – bsomoy24.com) কে জানান নিহত লিটনের কোন দোষ ছিলোনা। ঘটনা ঘটার পর পরেই কেউ কিছু বুঝে উঠার আগেই ট্রাক্টর ড্রাইভার পালিয়ে যায়। ঘাতক বৈদ্যুতিক খুঁটি বহন কারী ট্রাক্টর মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ জব্দ করে।